মঙ্গলবার ১৭ এপ্রিল ২০১৮। ৪ বৈশাখ ১৪২৫। ২৯ রজব ১৪৩৯
ফনেটিক ইউনিজয়
সার্চ
¦

ব্রেকিং নিউজ

  • মুফতি হান্নানসহ তিনজনের ফাঁসি কার্যকর
হাইমচর-চাঁদপুর-মতলব উত্তর উপজেলা জুড়ে চলছে জাটকা নিধন
ফেরি করে গ্রামাঞ্চল ও শহরের পাড়া-মহল্লায় জাটকা বিক্রি

চাঁদপুর বার্তা রিপোর্ট

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল, ২০১৮

ইলিশের অভয়াশ্রম শুরু হয়েছে ১ মার্চ থেকে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। এ দু’মাস হাইমচর-চাঁদপুর ও মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা ও পদ্মায় কোনো প্রকার জাল ফেলে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও এ নিয়ম মানছেনা কতিপয় মৌসুমী জেলেরা। হাইমচর-চাঁদপুর সদর-মতলব উত্তর উপজেলার নদী বক্ষে চলছে প্রতিযোগিতামূলক জাটকা নিধন। শুরুতে জেলার আইনশৃঙ্খলা, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা এ ব্যাপারে স্বোচ্চার থাকলেও এপ্রিলের শুরুতে তেমনটি লক্ষ্য করা যায়নি। বিশেষ করে নৌ-পুলিশ এক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। যার ফলে জাটকা নিধনের পর গ্রামে গ্রামে মাথায় ফেরি করে জাটকা অবাধে বিক্রি হচ্ছে। হাইমচরের চরভৈরবী থেকে শুরু করে মতলব উত্তরের ষাটনল পর্যন্ত বিশাল নদীবক্ষে প্রকাশ্যে কতিপয় মৌসুমী জেলেরা জাটকা নিধন করছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ম্যানেজ করে এ সকল মৌসুমী জেলেরা অবাধে জাটকা নিধন চালাচ্ছে। নামকাওয়াস্তে অভিযান দেখালেও জাটকা নিধন কোনোক্রমেই থামছেনা। নৌ-পুলিশ ফাঁড়িগুলোকে ম্যানেজ করে এসকল জেলেরা নদীতে নেমে পড়ছে। দিন-দিন জাটকা নিধনকারী জেলের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এমনকি নদীর পাড় ঘেঁষে অস্থায়ীভাবে বসানো হয়েছে মাছ কেনা-বেচার আড়ৎ। মতলব উত্তর উপজেলার প্রশাসন এক্ষেত্রে অনেকটা নির্বাক। নদীর অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে মতলব উত্তর উপজেলায় প্রশাসন বলতে কিছুই নেই। যার ফলে মতলব উত্তর উপজেলার বাহাদুরপুর, সটাকি, ষাটনল, মোহনপুর, এখলাছপুর, আমিরাবাদ এলাকার নদীতে এসব মৌসুমী জেলেরা দেদারছে জাটকা নিধন করে যাচ্ছে। নিধনকৃত এসকল জাটকা মতলব উত্তরের নদীর তীরবর্তী এলাকা ও পৌর এলাকার মাথায় করে ফেরি করে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে হাইমচর চরাঞ্চল এলাকা থেকে শুরু করে হাইমচর সদরে দেদারছে জাটকা বিক্রি হচ্ছে। শুধু তাই নয়; চাঁদপুর শহর এলাকার হরিনা ফেরিঘাট, বহরিয়া, পুরাণবাজার নদীর তীরবর্তী এলাকায় চাইবা মাত্র জাটকা পাওয়া যাচ্ছে। অথচ বর্তমান সরকার যারা নিবন্ধিত জেলে রয়েছে তাদেরকে সরকারি সুযোগ-সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়া সত্ত্বেও এসকল জেলেরা অবাধে জাটকা নিধন করছে। সরেজমিনে ঘুরে এসকল চিত্র দেখা যায়। এমনকি যারা ঢাকা-চাঁদপুর নদীপথে যাতায়াত করে থাকেন, সেসকল যাত্রীরাও এমন দৃশ্য দেখে থাকেন। প্রতিটি পুলিশ ফাঁড়ি যেনো দেখেও না দেখার ভান করছে। বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ইলিশের উৎপাদনে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি হবে।
শেষের পাতা পাতার আরো খবর

সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটোয়ারী, উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি : ডাঃ জে আর ওয়াদুদ টিপু, প্রতিষ্ঠাতা ও প্রকাশক : মোঃ সেলিম খান, প্রধান সম্পাদক: রাশেদ হোসেন চৌধুরী (রনি), সম্পাদক : আলহাজ্ব অ্যাডঃ জসিম উদ্দিন পাটোয়ারী, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : শহীদ পাটোয়ারী, যুগ্ম সম্পাদক : জাহিদুল ইসলাম রোমান, নির্বাহী সম্পাদক : শাহ্ আলম মল্লিক, বার্তা সম্পাদক : গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক : মানিক দাস, সহ-সম্পাদক শেখ আল মামুন, চীফ ফটোগ্রাফার ও রিপোর্টার : মুহাম্মদ আলমগীর, মফস্বল সম্পাদক : এস এম মহসিন, বিজ্ঞাপন ম্যানেজার : মোঃ ফারুক হোসেন ভূঁইয়া। প্রকাশক কর্তৃক ১০নং লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন, চাঁদপুর থেকে প্রকাশিত এবং সিরাজ অফসেট, কলেজ গেইট, চাঁদপুর থেকে মুদ্রিত। কার্যালয় : খান সুপার মার্কেট (নিচ তলা), ঘোষপাড়া ব্রিজের পশ্চিমে, মরহুম আব্দুল করিম পাটোয়ারী সড়ক, চাঁদপুর-৩৬০০। যোগাযোগ : ০১৭১২২০৫৭৪৭।